Tuesday, November 6, 2018

DIWALI SPECIAL 2018(01)- A TRIBUTE TO THE LEGEND- MAYUKH CHOUDHURY

গত অক্টোবর মাসের ৩০ তারিখ আমি আর ইন্দ্রনাথ দা আলোচনা করছিলাম ব্লগে কি দেওয়া যায়। ঐদিন ১৯৯৬ সালে ময়ূখ চৌধুরী আমাদের সকলকেই প্রায় না জানিয়ে চলে যান। সময়ের অভাবে আমি ঠিক পোস্ট করে উঠতে পারিনি। এছাড়াও ইচ্ছে ছিল ময়ূখ চৌধুরীর কমিক্স "পদক্ষেপ" দেওয়ার। কিন্তু কিশোর ভারতীতে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত ঐ কমিক্সের মাত্র একটি সংখ্যা আমার কাছে না থাকার জন্য এই মুহূর্তে সেটি দিতে পারছি না।  তাই আপাতত ময়ূখ চৌধুরীর যে কটি কমিক্স আমার স্ক্যান করা রয়েছে, সেগুলোই ব্লগে দিলাম।

ময়ূখ চৌধুরী তার দীর্ঘ ৩০ বছরের কর্মজীবনে(১৯৬২-১৯৯৩/৯৪) ৭০টিরও বেশি কমিক্স, হাজারেরও বেশি অলঙ্করণ(নিজের এবং অন্যান্য লেখকের গল্পে ) করেছেন। কিছু প্রবন্ধ এবং ২টি কবিতাও লিখেছিলেন। গল্প এবং কমিক্স দু-ক্ষেত্রেই তিনি ব্যবহার করতেন dramatic narration, বিশেষত অ্যাকশনধর্মী ঘটনার ক্ষেত্রে ওনার সেই সংলাপ এবং তার সঙ্গে গতিময় ছবির দৃশ্য- এ জুড়ীর মেলা ভার। হাতের লেখাও ছিল খুব সুন্দর, এবং অসামান্য ক্যালিগ্রাফিক নামাঙ্কন করতে পারতেন। তার সব কমিক্সই এখন বই আকারে পাওয়া যাচ্ছে লালমাটির কমিক্স সমগ্রে (যদিও কিছু কমিক্স রচনাসমগ্রে রাখা হয়েছে) ।
অধিকাংশ কমিক্সের সংকলন ও সম্পাদনা করেছিল শান্তনু দা( শান্তনু ঘোষ), যার গবেষণাধর্মী লেখা পরে আমার অতন্ত্য কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। সেই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বিষয় কার্টুন পত্রিকার সম্পাদক বিশ্বদেব গঙ্গোপাধ্যায় এবং আরও অনেকে। তাই ময়ূখ চৌধুরী নিয়ে যে কেউ পড়াশোনা করতে চাইলে তার কাছে এই বইটি থাকা অতি আবশ্যক। বই তো বটেই, ইন্দ্রনাথদার সৌজন্যে ব্লগেও ময়ূখ চৌধুরীর ২৬টি কমিক্স চলে এসেছে। আমার এবং ইন্দ্রদার সংকলনে ও শান্তনুদার সম্পাদনায় বুক ফার্ম থেকে প্রকাশিত হয়েছে ময়ূখ চৌধুরীর দুটি কমিক্সের বই, একটি গল্পের বই, এবং একটি শিকার গল্প সংকলন(ময়ূখ চৌধুরী অলংকৃত)।


বুক ফার্ম থেকে বই আকারে ময়ূখ চৌধুরীর নিচের কমিক্সগুলি পাওয়া যাচ্ছে:

(১) রহস্য গোয়েন্দা গ্রাফিক নভেল- গুপ্তধনের সন্ধানে
(২) দুর্ধর্ষ কমিক্স:আছে- ঋণশোধ, পেক্কা, মবগো, বনবাসী বন্ধু, ফাঁদ, চফু-মায়া, সাক্ষী ছিল চাঁদ, দ্বৈরথ(অরণ্যগর্ভে ও সমুদ্রবক্ষে)

ইন্দ্রনাথদার ব্লগে আপাতত যেগুলো পাওয়া যাচ্ছে:

  • খাপে ঢাকা তরবার ও রক্তমাখা চাঁদ 
  • মৃত্যুহীন প্রাণ 
  • অন্ধ মাকড়সা
  • রক্তাক্ত মানচিত্র 
  • রূপকথা নয় 
  • দুরন্ত কাহিনী 
  • আগন্তুক 
  • আমি আগন্তুক 
  • রবিনহুড(কালো সাপ ও বিভ্রান্ত রবিনহুড) 
  • জলদস্যুর কবলে রবিনহুড 
  • বুদ্ধির যুদ্ধে রবিনহুড 
  • নায়ক যখন রবিনহুড(শেরউড বনের অতিথি ও শেরউড বনে গুপ্তচর)
  • রামধনুর সন্ধানে 
  • বন্ধু 
  • মুক্তি পেলো রতনলাল 
  • ইতিহাসে পলাতক(পলাতক বই থেকে)
  • প্রান্তরে মৃত্যুর হানা(নরকের প্রহরী বই থেকে)
এছাড়া রোমাঞ্চকর কমিক্স ও এডভেঞ্চার কমিক্স(সংকলন গ্রন্থ) পাবেন ইন্দ্রদার ব্লগে। ইতিহাসে অস্ত্র সিরিজও দেওয়া আছে, কিন্তু আমার মতে ইতিহাসে অস্ত্র ঠিক কমিক্সের পর্যায়ে পরে না। এটিকে শুধু ছবিতে গল্প  বা ছবিতে ইতিহাস বললে ভালো হয়, কারণ এখানে ছবির সাহায্যে ঠিক ঘটনাক্রম বোঝানো হচ্ছে না।

প্রসঙ্গত জানাই, ইতিহাসে পলাতক প্রথমে প্রকাশিত হয় সন্দেশে ১৩৮২তে, ৮টি কমিক্স নিয়ে। পলাতক বইটির প্রথম সংস্করণে(নির্মল কর্তৃক ১৩৮৩/৮৪ তে ) ৮টি কমিক্সই ছিল, পরের সংস্করণগুলিতে কোনো কারণে শেষের কমিক্সটি বাদ পরে যায়, অর্থাৎ ৮টি কমিক্সের জায়গায় ৭টি কমিক্স। এখানে সেই মিসিং দু'পাতার ইতিহাসে পলাতকের কমিক্সটি দিলাম:



ময়ূখ চৌধুরীর "আমি আগন্তুক" কমিক্সটির sequel হল "বৈশাখী পূর্ণিমা রাতে"। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যকে নিয়ে ময়ূখের আরও দুটি কমিক্স "ছদ্মবেশী" এবং "রাজকুমারের অসি"।




পড়ুন বৈশাখী পূর্ণিমা রাতেছদ্মবেশীরাজকুমারের অসি 

ময়ূখ চৌধুরীর বঙ্গদেশের রঙ্গ কমিক্সটি সব পাঠকই পছন্দ করেন:

পড়ুন বঙ্গদেশের রঙ্গ 

এছাড়াও রইলো কিশোর ভারতীতে প্রকাশিত ময়ূখ চৌধুরীর টানটান উত্তেজনাময় কমিক্স:


পড়ুন শিকার

না, এতেই শেষ নয়... 


পড়ুন নায়কের মৃত্যু নেই 

সকল দর্শকবন্ধুকে জানাই কালীপুজো ও দীপাবলির অনেক শুভেচ্ছা। সবে পটকা ফাটানো শুরু...কাল আরও ফাটাবো।

বিঃদ্রঃ লালমাটি রচনাসমগ্র ৩ এ পাবেন অধ্যাপক ত্রিবেদী সিরিজের সব কটি কমিক্স এবং অপরাধী কে সিরিজের ৯টি কমিক্স। পুরোনো বন্ধু সাগ্নিক ঘোষের ব্লগ dara indrajal (THE LOST WORLD) এ পাবেন শয়তানের দ্বীপ কমিক্সটি তিন ভাষায়(বাংলা, ইংরেজি এবং পর্তুগিজ ভাষায়) । স্মারক এবং যাত্রী খুব শীঘ্র ইন্দ্রদা ব্লগে দেবে আশা রাখি।

************* ALL LINKS ARE FIXED & WORKING***********

Tuesday, October 16, 2018

SUBHO MAHASAPTAMI 2018; PHANTOM STRIP- "TIGER, TIGER!"

বন্ধুরা, শেষ পোস্টের পর আমার ফেবু পেজে একটি বিশেষ কমিক্সের প্রচ্ছদ দিয়েছিলাম।  বলেছিলাম দেব, অনেকেই হয়তো সেই পোস্টটা দেখেছেন:


এটা দেখে সবাই নিশ্চয় ভাবছেন, এটা কি করে সম্ভব? ইন্দ্রজাল কমিক্সের কোনওদিন সংখ্যা ১০১ ও ১০২ তো প্রকাশিত হয়নি(industrial strike এর জন্য). তাহলে এই বইটা এলো কোত্থেকে?

উত্তরটা খুব সহজ... না, আমি কোনো অপ্রকাশিত সংখ্যা পাইনি। এই প্রচ্ছদটা বহু বছর আগে আমি নিজে হাতে(PS এ) বানিয়েছিলাম, একটি বিদেশী কমিক্স(FREW) থেকে, বাদ বাকি ইন্দ্রজালের নামকরণ ও সংখ্যা ছিল আমারই বানানো। এই সেই আসল প্রচ্ছদ:


SY BARRYর আঁকা এই কমিক্সটি ছোটবেলায় আনন্দমেলায় পড়েছিলাম। তখন এই কমিক্সগুলির কোনো নাম আনন্দমেলায় দেওয়া হতো না। তাই আমি নিজেই নামকরণ করতাম... ছোটবেলার মজা, বোঝার সুবিধের জন্য। এই গল্পের নাম দিয়েছিলাম "ভূতুড়ে বাঘ রাজা". এর আগের বেঁটে বেতালের গল্পটার নাম দিয়েছিলাম "খর্বাকৃতি অরণ্যদেব".

পরবর্তীকালে বুঝলাম অনেক স্ট্রিপের নামই দেওয়া থাকতো গল্পের একদম ১ম পৃষ্ঠার(মানে 1st strip এর) কর্নারে, নিচের দিকে। তাই এই গল্পের নাম বাংলায় ধরা যেতে পারে: "বাঘ, বাঘ"!



এই গল্পের প্রধান আকর্ষণ হল অনেকগুলি বাঘ এবং এরা সবাই "ভূতুড়ে বাঘ রাজা"র পোষা।


বেতালকে অতগুলো বাঘ মুখে করে ধরে নিয়ে চলে গেলো, তারপর কি হল বেতালের? এই বাঘ গুলোই বা ভূতুড়ে কেন? আর কে সেই ভূতুড়ে বাঘ রাজা?

এই সব প্রশ্নের উত্তর পাবেন এইখানে:
  ভূতুড়ে বাঘ রাজা(s138, বাঘ, বাঘ!)

সকল দর্শক বন্ধুদের জানাই শুভ মহাসপ্তমী।  বেতাল পড়ুন এবং আনন্দে পুজো কাটান।

পুজোর পর আবার ফিরবো..

Wednesday, August 15, 2018

HAPPY INDEPENDENCE DAY 2018; ROVERSER ROY 1989

স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানাই সকলকে।

গতবারের(১৯৮৮ সালের) রোভার্সের রয় তে আপনারা দেখেছিলেন যে রয়কে কেউ গুলি করেছিল।রয় হাসপাতালে ভর্তি ছিল অজ্ঞান অবস্থায়, ডাক্তাররা চেষ্টা করেন যাতে সমর্থকদের জয়ধ্বনি তে রয়ের জ্ঞান ফেরে..


রয় সুস্থ হয়ে মাঠে আসে পরের ম্যাচে সতীর্থদের খেলা দেখতে। কিন্তু রয়ের জন্য অপেক্ষা করছিলো এক অভিনব চমক...


কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে "রয়ের ছেলেরা"এতটাই আনন্দিত হয়ে পড়লো যে তারা ডিভিশনে পিছিয়ে থাকা এক দলের কাছে বোকার মতন হেরে গেলো!! অনেকটা এই বছর বিশ্বকাপ ফুটবলের অঘটনের মতন..


কিন্তু কে সেই আততায়ী?.. যে রয়কে মারার চেষ্টা করেছিল?

রয় নিজেই তাকে ধরে ফেলে...


রয় তো মাঠে ফিরে এলো, কিন্তু রয়ের সমস্যার এখনো শেষ নেই..



এইরকম "দূর থেকে শট করে বল সোজা জালে".. ঘটনা অনেক বছর আগে বিশ্বকাপে দেখেছিলাম..


দলে আবার প্রবেশ করলো ভিক গাথরি, রয়কে মারার জন্য শুধু শুধু সন্ধেহভাজনদের তালিকায় সে ছিল।


রয়ের দল এরপর এক প্রদর্শনী ম্যাচ খেলতে যায়।  কিন্তু সেই ম্যাচ খেলতে গিয়ে দলের বেশ কয়েকজন আহত হয়, এমনকি রয় নিজেও।



তারপর কি হল? পড়ুন সম্পূর্ণ রোভার্সের রয় ১৯৮৯

ধুলোখেলা ব্লগকে আরও একবার ধন্যবাদ, ৬ সেপ্টেম্বর ও ৪ অক্টোবর ১৯৮৯ এর রোভার্সের জন্য। ১৮ অক্টোবর ১৯৮৯ এ কোনো আনন্দমেলা প্রকাশিত হয়নি। 

Saturday, June 16, 2018

Unpublished strip: MANDRAKE vs SPEEDY

আজ ব্লগে অনেকদিন পর একটা ম্যানড্রেক দেব, যা ইন্দ্রজালে অপ্রকাশিত থেকে যায়।  ঠিক শেষ কবে ব্লগে ম্যানড্রেক দিয়েছি, তা খেয়াল পড়ছে না।

হ্যাঁ, অপরাধীর নাম স্পিডি.. ইনি প্রকৃত অর্থে একজন বৈজ্ঞানিক, গবেষণা করতে গিয়ে এমন এক pill এর আবিষ্কার করেন যা সাংঘাতিক গতি এনে দিতে পারে যেকোনো প্রাণীর মধ্যে...


কিন্তু কপাল...স্পিডি জড়িয়ে পড়লো বেশ কিছু অপরাধের সঙ্গে...


ম্যানড্রেক, লোথার আর পুলিশ প্রধান... এরা কি পারবে দুরন্ত স্পিডিকে আটকাতে?


জানার জন্য পড়ুন ম্যানড্রেক ও স্পিডি  (S175 - SPEEDY, ABP NEWSPAPER 1998)

প্রসঙ্গত জানাই যে তখন আনন্দবাজার পত্রিকায় sunday স্ট্রিপ ম্যানড্রেক দেওয়া হতো, অর্থাৎ প্রত্যেক রবিবার করে বেরোতো। কিন্তু মূল color version ছাপা হতো না।

এই স্ট্রিপটি ব্লগে সবাই যাতে পড়তে পারে সে জন্য সৌরভ ভাদুড়ীদা xerox এর ব্যবস্থা করেছিলেন। ওনার সংগ্রহে এরকম বেশ কিছু স্ট্রিপ আছে.. অনেক ধন্যবাদ দাদা।

যাক, কথা কিছুটা রাখতে পেরেছি, কি বলেন বন্ধুরা?