Monday, June 24, 2019

NEW POST 06 PHANTOM: THE CURSED MUMMY

"মমির অভিশাপ" কথাটা শুনলেই মনে হয় যেন টিনটিনের কমিক্সের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু অন্য কোনো কমিক্সে যে মমির অভিশাপের ব্যাপার থাকতে পারে, তা আমাদের মনেই হয় না প্রথমে।



হ্যা,  Fantomen  এর এক গল্পে ডায়ানা পড়েছিল এক মমির অভিশাপের ফাঁদে। গল্পটি লিখেছেন E. Lundstorme ,  শিল্পী Jaime Valve.  Jaime Valve বেশ কিছু   Fantomen  এর  ছবি এঁকেছেন। শুধু তাই নয়, উনি গল্পও লিখেছেন, আবার গল্পের বা প্রচ্ছদের জন্য বেশ কয়েকবার বছরের সেরা কাহিনীকার বা সেরা প্রচ্ছদশিল্পীর শিরোপাও পেয়েছেন।  ২০০০ সালে তিনি মারা যান।  আমার এক অতন্ত্য পছন্দের শিল্পী, ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি SY BARRY'র পরেই ওনার স্থান, উনি "দ্বিতীয়  SY BARRY", অন্তত আমার চোখে। 

ইন্দ্রজাল কমিক্সে এই শিল্পীর একটিমাত্র কাজ প্রকাশিত হয়েছিল। গল্পটি খুব জনপ্রিয়, অনেকেই পড়েছেন। একবার দেখলেই চিনতে পারবেন.. দেখতেও হবে না, নামটিই যথেষ্ট... "ভ্যাকুল দুর্গের রহস্য"।

কি বন্ধুরা, খেয়াল পড়ছে?
শিল্পীর আরও একটি কাজ আপনাদের সামনে বাংলায় নিয়ে আসতে পারায় আমার তো ভালো লাগছে অবশ্যই, কিন্তু আপনাদের কেমন লাগছে সেটাই আসল।  ভালো লাগলে মনে করবো আমি, এবং বিশেষত আমার বন্ধু ইবং(দেবাশীষ)... যে অনেক খেটে আপনাদের জন্য এই অনুবাদ করে দিয়েছে,.. চিত্রচোর, যে প্রচ্ছদ সাজিয়ে দিয়েছে.. আমাদের সকলের পরিশ্রম সার্থক। 

প্রসঙ্গত জানাই, নানা ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষার দরুন  ২টি  প্রচ্ছদ  এই কমিক্সের জন্য বানানো হয়েছিল।  দুটিই ভালো, তফাৎ সামান্যই।  এখানে পরিবর্ত( alternate) প্রচ্ছদটিও দিলাম


পড়ুন মমির অভিশাপ 

পিডিএফ ভার্সন পড়তে চাইলে এখানে চলে আসুন। 

Friday, May 31, 2019

NEW POST 05 দ্বাদশ অরণ্যদেবের গল্প: এরেওন

নামটা বেশ অদ্ভুত ঠেকছে, তাই না বন্ধুরা? বিশেষত "এরেওন" কথাটা।  ঠেকারই কথা, কারণ প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, এবং একবিংশ অরণ্যদেবের গল্প আমরা মোটামুটি অনেকেই পড়েছি। কিন্তু দ্বাদশ অরণ্যদেব? "এরেওন" টাই বা কি বস্তু?

হ্যা, আজ বলব দ্বাদশ অরণ্যদেবের কথা। 


(প্রচ্ছদ design- পার্থ অরণ্যদেব)
ছোটবেলায় আনন্দমেলায় এই গল্পটা প্রথমবার পড়েছিলাম। মজার গল্প, তবে একটা অদ্ভুত রহস্যজনক মোড়কে ঘেরা। এই দ্বাদশ অরণ্যদেব একবার এমন এক জায়গায় যান, যেখানকার সময় আমাদের পৃথিবীর সময়ের থেকে একদম আলাদা।  মানে ধরুন, সেই জায়গায় যেটা আমার বা আপনার কাছে একদিন বা একরাত বলে মনে হবে, সেটা আসলে তা নয়.. সেটা আসলে কিছু মাস বা কিছু বছরও হতে পারে। সেই জায়গা থেকে না বেরোলে আপনি পার্থিব সময়ের হিসেবটা বুঝতেই পারবেন না। এই বিচিত্র জায়গার নামই "এরেওন" .

দ্বাদশ অরণ্যদেব যখন বেরোন সেখান থেকে, তখন তিনি বুঝলেন...


পরে আমাদের ২১তম অরণ্যদেবও সেখানে পৌঁছলেন।  আর তিনি যখন বেরোলেন...



পড়ুন দ্বাদশ অরণ্যদেবের গল্প: বিচিত্র শহর এরেওন(s142)

প্রসঙ্গত জানাই এটি Sy Barry'র আঁকা শেষ ফ্যান্টম স্ট্রিপ। মাঝপথে উনি আঁকা ছেড়ে দিলে তখন এই কমিক্সে হাত দেন শিল্পী George Olesen. Sy Barry'র আঁকার সঙ্গে কোনো ফ্যান্টম শিল্পীর আঁকার তুলনাই হয়না, কারণ উনি প্রত্যেকটা চরিত্রকে এতটাই জীবন্ত করে তুলেছিলেন... বিশেষত ফ্যান্টম, ডায়ানা, রেক্স, হেলোয়েজ আর কীটকে।

হেলোয়েজ... এতো মিষ্টি!


এরপর হঠাৎ করেই যদি অন্য কোনো শিল্পী আঁকেন, তাহলে সেটা প্রত্যেক পাঠকেরই কেমন একটা লাগবে। আমারও লেগেছিল।
আরও দুটি বিষয়...

(১) এই গল্পে প্রথমবার বুড়ো মজ'কে দেখা গেল খুলি সিংহাসনে বসতে!
(২) ইংরেজি Nowhere শব্দটি উল্টোদিক থেকে লিখলে হয় Erehwon(wikipedia). বাংলায় এটিকে তিনটে আলাদা বানান করা হয়েছে... কোথাও এরেওন বা ইরেঅন, আবার কোথাও এরেঅন। আনন্দমেলা কর্তৃপক্ষের এই বিষয়টির ওপর নজর দেওয়া উচিত ছিল।

আশা করি গল্পটি সবার ভালোই লাগবে। 

Friday, May 10, 2019

NEW POST 04 LUAGA'S MARRIAGE

আমাদের সবার প্রিয় এবং  এক কথায় ভালো মানুষ,  সোহেলদা ওরফে সোহেল শেখ থাকেন বীরভূমে। তবে যেখানেই থাকুন না কেন, দাদা আমাদের মতনই কমিক্স পাগল। দাদার সঙ্গে পরিচয় ফেবুতে, মাঝে মধ্যেই ফোনে কথা হয় কমিক্স নিয়ে। দাদার সঙ্গে আলাপের ইচ্ছে অনেকদিনই, কিন্তু তা এখনো অবধি হয়ে ওঠেনি।

পাঠকবন্ধুদের অনেকেই জানেন যে ছোটবেলা থেকে আমি কমিক্সের পাতা কেটে রাখতাম, এখনো প্রয়োজন পড়লে কাটি। তবে এখন গোটা ম্যাগাজিনটাই রেখে দি, চেষ্টা করি সেটাকে নষ্ট না করার.. অনেক ম্যাগাজিন(তার মধ্যে এখন বেশ কিছু বিরল) এভাবে আমি নষ্ট করেছি ঠিকই, কিন্তু এভাবেই কমিক্স জমানোর শখটা তৈরী হয়। বিশেষ করে এই কাটা কমিক্সগুলি  যখন বই আকারে পাওয়া যায় না তখন সেই নেশা আরও বেড়ে যায়। সেগুলোতে তারিখ দেওয়া, প্রত্যেকটা পাতাকে সিরিয়ালি রাখা, এবং আলাদা আলাদা কমিক্সকে আলাদা আলাদা প্যাকেটে রাখা... তা সত্ত্বেও মাঝে মধ্যে কিছু "ইধর কা মাল উধার" হয়ে যায়... এগুলি মনে রেখে সব ঠিকঠাক ভাবে গুছিয়ে রাখাও বেশ সমস্যা।

আমাদের বাড়িতে ছোটবেলা থেকেই নিয়মিত আনন্দমেলা নেওয়া হতো।  তারপর ২০০১-০২ নাগাদ তা নেওয়া বন্ধ হয়ে যায়... এর মূল কারণ ছোটবেলা থেকে যে সব কমিক্সের সঙ্গে আনন্দমেলার হাত ধরে পরিচিত হয়েছি, সেগুলো সবই এক এক করে বন্ধ হয়ে যায়.. শেষে বেরোতো টিনটিন আর অরণ্যদেব, সেটাও বন্ধ... আনন্দমেলা তখন আর ছোট নেই, আস্তে আস্তে "টিন ম্যাগ" হতে শুরু করেছে। এরপর আমাদের বাড়িতে আর কোনোদিন আনন্দমেলা নেওয়া হয়নি।

যাই হোক, আমার এই শখের কথা সোহেলদাকে বলাতে প্রথমে বোধহয় ভেবেছিলেন "এ আবার কেমন ছেলে? বই না জমিয়ে স্ট্রিপ জমায়?" কিন্তু সোহেলদা এবং আরও বেশ কিছু বন্ধু, যারা এই আনন্দমেলা পড়তেন, তারা জানেন... একসময়ে এখানে প্রকাশিত হওয়া "নবম বেতাল" বা "বেঁটে বেতালের" গল্প, যা আমি ব্লগে আগে দিয়েছিলাম। পাতাগুলো কেটে রাখার জন্যই দিতে পেরেছিলাম।

দাদা অনেকদিন ধরে বেতালের একটা বিশেষ গল্পের জন্য অনুরোধ করছিলেন... গল্পের নাম

লুয়াগার বিয়ে 
হ্যা, লুয়াগা বিয়ে করলেন মিস তাগামাকে।  গল্পে মিস তাগামাকে বিয়ের পর কিডন্যাপ করা হয় ও বিশাল অঙ্কের মুক্তিপণ চাওয়া হয়। পরে তাকে বেতাল ও লুয়াগা উদ্ধার করে।

প্রসঙ্গত জানাই এটি লি ফকের লেখা বেতালের শেষ গল্প। এই গল্পটি শেষ করেন ওনার স্ত্রী, এলিজাবেথ ফক।  আবার এই গল্পেই প্রথমবার মিস তাগামার নাম দেওয়া হয় তানিয়া (পরবর্তীকালে নাম হয় তানিয়া তাগামা) ।

পড়ুন লুয়াগার বিয়ে (s150- The Kidnappers)

আশা করি গল্পটি সকলের ভালো লাগবে। গল্পের সামান্য কিছু দৃশ্য কিছু পাঠকের কাছে একটু odd লাগতে পারে, কিন্তু মনে রাখবেন এটি বিদেশী কমিক্স এবং আনন্দমেলাও তখন বড় হচ্ছে!

Tuesday, April 16, 2019

Post from other Blog 24: SHUBHO NABABARSHA 1426; ABAR RIP KIRBY

কয়েকমাস আগে যখন নীলদার সঙ্গে আলাপ হয়, তখন জানতে পারি "আনন্দমেলা কালেকশন"(https://amela-collection.blogspot.com/) ব্লগটি ছাড়াও নীলদার আরও একটি ব্লগ আছে, নাম "STORY COMICS KNOWLEDGE"(https://galporchhabi.blogspot.com/). খুব সামান্য হাতে গোনা কয়েকজন লোক ছাড়া এই ব্লগের অস্তিত্ব কেউ জানেন বলে মনে হয় না, আমি নিজেও জানতাম না।  ব্লগটিতে বেশ কিছু অমর চিত্র কথা আছে, যেগুলি বর্তমানে বাংলা অমর চিত্র কথা ব্লগে আবার নতুন করে পোস্টানো হচ্ছে। শুধু তাই নয়, আছে আনন্দবাজার পত্রিকার একটি রিপ কার্বি !

রিপের এই কমিক্সটি এক রত্নচোরকে কেন্দ্র করে।  তবে এই রত্নচোর যে সে নয়, রত্ন চুরির পাশাপাশি পুরুষদের মনও সে অনায়াসেই চুরি করতে পারে।




রিপ কার্বির ১৮২ তম গল্প 'সোনালী রত্নচোর'(Eng title- Jewel Thief, শুরু ২৪-৭-১৯৯৫)
কমিক্সটি পড়তে হলে চলে আসুন এখানে 

আশা করি নববর্ষের এই উপহার সবারই ভালো লাগবে। 

Friday, March 29, 2019

NEW POST 03 PANDORA'S MASK

কয়েকমাস আগে বেশ কিছু ইন্দ্রজাল বহির্ভূত ফ্যান্টম পড়েছিলাম। না, ফ্যান্টম এর স্ট্রিপ্স নয়, বেশ কিছু বিদেশী frew ফ্যান্টম। এর মধ্যে অনেক গল্পই ভালো লেগেছিলো, যদিও এই গল্পগুলি লী ফক এর  নয়। আমার অনুরোধে সকল পাঠকদের জন্য বন্ধু পার্থ সেবার "নেকড়ের  কান্না" করে দিয়েছিল। আশা করি সেই অনুবাদ সকলের ভালোই লেগেছে।

পাঠকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দি, আমাদের "ক্যালকাট্টা কমিক্স ক্লাব"- এর নতুন সদস্য... অনুবাদক এবং ব্লগার  দেবাশীষ কর্মকারের সঙ্গে(https://ebongcomics.blogspot.in) . বেশ কিছু কমিক্স এরমধ্যেই দেবাশীষ অনুবাদ করে ফেলেছে, তারপর বইমেলাতে দেখা।



বেস্ট বুকস এর সামনে বেস্ট কমিক্স-পাগলরা...বাঁ দিক থেকে চিত্রচোর, ইবং, অরণ্যদেব,ওয়াকার,মিনিকমিক্স, ও রুস্তমদা
দেবাশীষ তার নিজের ব্লগে "প্যান্ডোরার চোখ" কমিক্সটি পোস্ট করার পর দেবাশীষকে বলেছিলাম আর একটা প্যান্ডোরায় হাত দেবে? এর মধ্যেও প্যান্ডোরা, মানে "প্যান্ডোরার বাক্স" আছে।

হ্যা, ফ্যান্টমের এই কমিক্সটি প্যান্ডোরার বাক্স এবং বিচিত্র এক প্যান্ডোরার মুখোশ নিয়ে।


গল্পটি frew তে দুটি পরপর সংখ্যায় প্রকাশিত হয় আলাদা নাম দিয়ে, কিন্তু আমরা বাংলায় এটিকে অখণ্ড করেছি। কিছু জায়গায় সামান্য পরীক্ষামূলক পরিবর্তন করতে হয়েছে, পরীক্ষায় আমরা সফল কিনা সেটা পাঠকরাই বিচার করতে পারবেন। আপাতত এই "থ্রী মাস্কেটিয়ার্স"(দেবাশীষ, পার্থ, আর আমি নিজে) এর বেশ কিছুদিনের আলোচনা, পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফসল এটি। মূলগল্পের নাম - "THE ROSE OF CAIRO(1ST PART) এবং PANDORA'S BOX(2ND PART). শিল্পী Hans Lindahl.

প্রসঙ্গত জানাই যে ROSE OF CAIRO আসলে একটি মেয়ের নাম।  কিন্তু কমিক্সটিতে প্রথমের দিকে এমনভাবে দেখানো হয়েছিল যে এটি যেন কোনো হোটেল বা রেস্তোরাঁ বা কোনো রিসোর্টের নাম। মূলত ROSE OF CAIRO'র বাংলায় একটা নাম দিতে কালঘাম ছুটে গেছিলো আমাদের সবার। অনেক চিন্তা ভাবনা করে, অনেকদিন সময় নিয়ে কাজটি করা হয়েছে। অনুবাদ সবার ভালো লাগলে আমাদের পরিশ্রম সার্থক।

পড়ুন মায়াবী মুখোশ  (Link upated)

বিঃ দ্রঃ  পোস্ট এর লিংকটি update করা হয়েছে। আগের ফাইলটিতে দুটি পৃষ্ঠা অপরিষ্কার ছিল, সেদুটিকে একদম চকচকে অর্থাৎ প্রিন্টেবল কোয়ালিটিতে করে আবার নতুন লিংক দেওয়া হলো। আর আগের লিংক যারা ডাউনলোড করেছেন এবং নতুন করে ডাউনলোড করতে চান না, তাদের জন্য সেই দুই পৃষ্ঠা এখানে দিলাম। ধন্যবাদ।


Friday, March 1, 2019

NEW POST 02 PHANTOM: DEATH IN THE CENTRAL PARK

আজ এগমন্ট বাংলা ১ম সংখ্যার ২য়  ভাগ


এই সুন্দর প্রচ্ছদটি ডিজাইন করেছে বন্ধু পার্থ "অরণ্যদেব" মুখার্জি 

পড়ুন সেন্ট্রাল পার্কের হত্যা রহস্য 

Thursday, February 21, 2019

NEW POST 01 এভাবেও ফিরে আসা যায়?

এভাবেও  ফিরে আসা যায়?

বন্ধুরা, আজ থেকে কয়েক মাস আগে ফেসবুকের কোনো অজ্ঞাত নিয়মে আমার ব্লগ লিংক কোথাও শেয়ার করতে না পারায় এই ব্লগটি বন্ধ করতে বাধ্য হই।  একথা আমি আগেও বলেছি। ব্লগের ঠিকানা পাল্টে BANGLA COMICS ER ADDAGHAR(https://vintagebengalicomics.blogspot.in), নতুন ব্লগের নামও কয়েকবার পাল্টেছি, কিন্তু আর পাল্টাবো না। এই ব্লগের আগের সব পোস্ট সেখানে আছে, এছাড়া অন্য কমিক্সও পোস্ট করছি সেখানে।  

ইন্দ্রজাল কমিক্স সংখ্যা ৭৩( অরণ্যরাতের রোমাঞ্চ) কমিক্সের শেষে একটি খুব সুন্দর উক্তি ছিল, "পৃথিবীতে সব জিনিসেরই একটা খারাপ-ভালো দিক আছে". সত্যিই হয়তো তাই। 

ফেসবুক কদিন পর আমার নতুন ব্লগ লিংক ও বন্ধ করে দেয়। কি কারণ জানি না, তবে হয়তো একটু বেশি শেয়ার করার জন্য। তাও খুব অল্পই করেছিলাম(১০ বা ১১টি গ্রুপে). ফেসবুকের ওপর ভরসা করতে পারছি না, তাই একটি হোয়াটস্যাপ গ্রুপ খুলি। মন থেকে ব্লগ বন্ধ করার ইচ্ছে কোনোদিন হয়নি। কিন্তু বাধ্য হয়েছিলাম। ডিজিটাল বাংলা কমিক্স হোয়াটস্যাপ গ্রুপটি অতন্ত্য ভালো একটি গ্রুপ। সারাক্ষণ কমিক্স নিয়ে চর্চা হয়, দেশি বিদেশী উভয়েই। গ্রুপে পরিচয় হয় নতুন কমিক্স ব্লগার ও অনুবাদক দেবাশীষ কর্মকারের(ebongcomics.blogspot.in) সঙ্গে।  এছাড়া পার্থও(অবশ্যই "অরণ্যদেব" ওনলি)  অনুবাদ করতে থাকে একের পর এক। ইন্দ্রনাথদা এবং ওরা অনেকবার আমাকে বলেছে রিটার্ন অফ ইন্দ্রজালে পোস্ট করতে।

তাই আবার সিদ্ধান্ত পাল্টালাম। আর আমার যে তিন বিশেষ ব্লগার বন্ধুর জন্য আমি ফিরে এলাম, তাদের জন্য কোনো কথাই যথেষ্ট নয়।  ব্লগের দর্শকসংখ্যা যাই হোক না কেন, আমি এই ব্লগে পোস্ট করে যাবো। সঙ্গে আরও দুই ব্লগ, বাংলা অমর চিত্র কথা এবং আড্ডাঘর, এগুলিতেও পোস্ট করবো। 
কিন্তু এখানে তাহলে কি নিয়ে পোস্টানো যায়? 

অবশ্যই করা যায়, ইন্দ্রজালের নায়কদের অনেক এমন গল্প আছে যেগুলি ইন্দ্রজালে কোনোদিন প্রকাশিত হয়নি। সেগুলি এই ব্লগে দেব। অন্যান্য কমিক্স থাকবে আড্ডাঘরে। 

ডেভিলের সঙ্গে বেতালের মোলাকাতের গল্প ইন্দ্রজালে নেই ঠিকই, কিন্তু এখানে আছে:





পড়ুন 

এরপর পার্থ আপনাদের কিছু বলবে: 


আজ আপনাদের জন্যে নিয়ে এলাম লন্ডনের Wolf Publishing (সম্পাদকীয় কার্য্যালয় লন্ডনের বার্নিংহাম শহর)থেকে প্রকাশিত একটি ফ্যান্টম কমিক্স, সম্পূর্ণ বাংলা ভাষায়। 

Wolf Publishing সংস্থা ১৯৯২ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ফ্যান্টমের মাত্র  ৯ টি সংখ্যা প্রকাশ করে।তারপরে বাণিজ্যিক প্রতিকূলতার কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। ফ্যান্টমের এই কাহিনি গুলি কিন্তু লি-ফকের নয়, বরং প্রতি সংখ্যার জন্যে গল্পগুলি লিখেছিলেন আলাদা আলাদা লেখক, চিত্রাঙ্কণও আলাদা আলাদা শিল্পীর। আজকের কমিক্সটি wolf issue#6 The Winter Of the Wolf”( Fantomen Nr.15 1992)-এর বঙ্গানুবাদ। এছাড়াও গল্পটি Frew issue 1032 তে প্রকাশিত হয় Wolf এর বইটির প্রচ্ছদ শিল্পী - মাইক কলিন্স, গল্প- সাভার আরনেস, কমিক্স শিল্পী- সিজার স্পাডারি।

প্রতিমাসে বেরোনো এই সংখ্যাগুলি ছিল ৩৬ পাতার আর পুরোটাই রঙ্গীন।এই উদ্যোগের পেছনে থাকা শিল্পীরা নিজেদের পরিচয় দিতেন “
Team Fantomen” নামে।
  

বন্ধু ওয়াকার এর কাছ থেকে ডেভিলের গল্প তো পড়লেন। এবার পড়ুন
ডেভিলের পূর্বপুরুষের গল্প- "নেকড়ের কান্না"


আমার ব্লগ থেকেও এই কমিক্সটি পড়তে পারেন https://onubadcomic.blogspot.com/2019/02/post-no-23.html 

এগমন্ট বাংলা ফ্যান্টম এর পরবর্তী অংশ কদিন বাদে পাবেন, এখানেই।




Thursday, January 24, 2019

NEW HOME of OLD BLOG

*******************LATEST UPDATE***********************

THIS POST IS TO INFORM ALL READERS OF THE RETURN OF THE INDRAJAL COMICS!!! ALL THE PREVIOUS POSTS OF THE OLD WEBSITE ARE PRESENT IN THE PROVIDED BLOG, ALONG WITH THE UPCOMING NEW POSTS.

VISIT THE NEW HOME OF THE OLD RETURN OF INDRAJAL COMICS!!!


 I HAVE DECIDED TO CONTINUE POSTING IN THIS BLOG AS WELL. MY FELLOW BLOGGERS, & MANY OF MY VISITORS HAVE REQUSTED ME TO POST AGAIN IN HERE!

SO, GUYS.. I WILL BE BACK HERE AGAIN.. VERY SOON.

THANK YOU সবাইকে... পাশে থাকার জন্য 

Post from other Blog 23 Kalo Muktar Kanthohar

 




originally posted at Indrajalbengali(link above)

Post from other Blog 22 বেতাল- পৃথিবীর রক্ষক( S139- How Phantom Saved the Earth)

ফেসবুকের কিছু জটিলতার জন্য আমার পুরোনো ব্লগ THE RETURN OF INDRAJAL COMICS!!! কে একটা নতুন ঠিকানা দিতে বাধ্য হলাম, জন্ম নিলো "বাংলা কমিক্সের আড্ডাঘর"(http://vintagebengalicomics.blogspot.in) .তবে সব পাঠকদের আস্বস্ত করতে পারি, আমার পুরোনো ব্লগের সব পোস্ট উপরোক্ত ব্লগেই পাবেন। যেমন ছিল তেমন। ব্লগের ঠিকানা বা নাম কোনওটাই না পাল্টাতে চাইলেও উপায় ছিল না, কারণ যারা আমার ব্লগের পুরোনো পাঠক তারা জানেন মাঝে আমার ব্লগে বছর দুয়েক কোনো পোস্ট ছিল না। ফলে আমার ব্লগের দর্শক সংখ্যা কমে যায় অনেক। চেষ্টা করেছিলাম আগের মতন দর্শক পাওয়ার, ফেসবুকের জন্য তা কিছুটা সম্ভবও হয়েছিল। আবার ফেসবুকের জন্যই ব্লগের ঠিকানা পাল্টে ফেলতে হলো, কারণ ব্লগের লিংক আমি শেয়ার করতে পারছিলাম না। সঠিক কারণ আজও জানতে পারিনি, ইন্টারনেটে দেখলাম আমার মতন অনেকেরই এরকম সমস্যা হয়েছে, তারাও ঠিক solution পাননি, আবার কেউ বা হয়তো পেয়েছেন। শেষের দিকে আমার ব্লগের দর্শকসংখ্যা একদম তলানিতে এসে ঠেকেছিল(গড়ে ৫০০ থেকে কমে ১৫০). তাই অগত্যা এটা করলাম। পুরোনো ব্লগে আপাতত পোস্ট বন্ধ, তবে ব্লগ খোলা আছে এবং তার নতুন ঠিকানাও দেওয়া আছে সেখানে।

যাই হোক, আসি মূল পোস্টে। আজ দর্শকবন্ধুদের শোনাবো মজদাদুর কথায় দুই গল্প, প্রথম গল্পটি কিছু বন্ধু আগে হয়তো পড়েছেন, দ্বিতীয়টি অনেকেরই হয়তো পড়া নয়।


 এই গল্পে অগ্নি, জল, এবং বায়ু দেবতা পৃথিবীকে ধ্বংস করতে চান।  কেন?



কিন্তু পৃথিবীর দেবী তা চাইলেন না। তিনি মনে করলেন মানুষের মধ্যে এখনো কিছু ভালো আছে।


ভালোর যাচাই করার জন্য বেতালকে বেছে নেওয়া হলো। একে একে তার পরীক্ষা নিলেন সব দেব-দেবীরাই।


বেতাল কি পারলো এই দেবতাদের বিচিত্র সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে? সেকি পারবে পৃথিবীকে বাঁচাতে?
পড়ুন বেতাল- পৃথিবীর রক্ষক( S139- How Phantom Saved the Earth)

বেতালের এই গল্পটি বাচ্চাদের গল্পের মতন করে বলা হলেও এর মধ্যে যে রূঢ় বাস্তব লুকিয়ে আছে, তা আমরা সবাই বুঝতে পারছি। লি ফক কত বছর আগে সেই জিনিস উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। গল্পটি ছোটবেলায় আমার মতন যারা পড়েছিলেন, তারাও হয়তো বুঝতে পারেননি এই গল্পের আড়ালে বাস্তবতার ছোঁয়া। তবে আজ নিশ্চয় পারবেন।

ডাউনলোড ফাইলের ভিতরে সুন্দর এই ছবিটি পাবেন


ছবিটি একটি বিদেশী ফ্যান্টমের কমিক্স থেকে নেওয়া। মূল ছবিটি ছিল সাদা-কালো, পরে রঙিন করেছি আমি নিজে। ক্যালিগ্রাফি- পার্থ অরণ্যদেব মুখার্জী (http://onubadcomic.blogspot.com/)
সম্পূর্ণ অবাণিজ্যিকভাবে এই প্রচ্ছদটি করা।

কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না। পরের পোস্টে আবার হাজির হব "রোভার্সের রয়" কে নিয়ে।

originally posted at old walkerindrajal(now vintagebengalicomics)